হাত পা ঘামে কেন মুক্তির রোধের উপায় -রোগের নাম ও চিকিৎসা সমূহ

আজকে আমরা যে সমস্ত বিষয়ে নিয়ে জানব তা হল হাত পা ঘামে কেন মুক্তির রোধের উপায়  রোগের নাম ও চিকিৎসা সমূহ বিস্তারিত আশা করা যায় এখান থেকে আপনারা অনেক কিছু শিখতে পারবেন

আমি আমার ধারণা থেকে বলতে পারি আজকে আপনারা এমন কিছু শিখতে চলেছেন যা হাত পা ঘামে কেন নিয়ে আপনাদের আর কোন মন্তব্য থাকবে না ইনশাআল্লাহ

হাত ঘামা রোগের নাম

প্রথমে শুরু করা যাক হাত পা ঘামা রোগের নাম দিয়ে ডাক্তারি বাসায় এ রোগের নাম

{পামোপ্লান্টার হাইপারহাইড্রোসিস}”

বলা হয় এটা কোন বড় ধরনের অসুখ নয় তবে একটু বিরক্তিকর যাদের এই রোগটি আছে তারা অনেক সময় বিব্রত অবস্থায় পড়ে যান তাই হাত পা ঘামে কেন এ নিয়ে আমরা বিস্তারিত আলোচনা করব তার আগে বলে নেই যে সমস্ত বিষয়কে আপনি  মানলে এ রোগ থেকে কিছুটা আপনি রেহাই পেতে পারেন

1/ কোন বিষয়ে বেশি উত্তেজিত না হওয়া 

2/ বেশি পরিমাণে মানসিক চাপ না নেওয়া

3/ স্বাভাবিক ভাবে সমস্ত কাজ করে নেওয়া

হাত পা ঘামার মুক্তির উপায় এ বিষয়গুলি আপনার আওতার ভিতরে তাই এগুলি বিস্তারিত এখানে বলে দিলাম তো চলুন এখন জেনে নেই  যে সমস্ত কারণে  হাত পা ঘামে

যারা অতিরিক্ত ওজন নিয়ে ভুগছেন তাদের জন্য সেরা একটি টিপস পড়ার জন্য এখানে ক্লিক করুন

হাত পা ঘামে কেন মুক্তির রোধের উপায়

হাত পা ঘামে কেন

হাত পা ঘামে কেন এ নিয়ে অনেকেরই মন্তব্য ঘামের পরিমাণ এতটাই বেড়ে যায় যে সামান্য উত্তেজনায় হাত ও পা গেমে যায় আসলে হাত পা অনেক কারণে ঘামতে পারে যেমন আপনি যদি পরীক্ষা দিতে যান তখন হাত ও পায়ের তালু ঘেমে যায় আবার কখনো কখনো  অনেকেই মানসিক দুশ্চিন্তা মুখামুখি হলে ঘামতে পারে অনেক বেশি রেগে গেলে ঘামতে পারে বারবার গাম  মুছলেও যায় না একটু পরে আবার গেমে যায় এরকম পরিস্থিতিতে অনেকে হাত পা গামা থেকে মুক্তির উপায় খুঁজে ও চিকিৎসকের পরামর্শ নেন 

কিন্তু ডাক্তারের পরামর্শে হাত পা ঘামার কারণ এটা কোন রোগ নয় এটা বংশগত কারণে ও হতে পারে তাহলে হাত পা ঘামার কারণ কি  মানুষের শরীরে অ্যাপোএকিন নামে  যুক্ত ৪৫ থেকে৫৫ লাখ অ্যাপোএকিন যুক্ত থাকে এতে অ্যাড্রিনালি  হরমোনের প্রভাব বেড়ে যায় হাত ও পায়ের তালু     ঘামতে থাকে

হাত পা ঘামার ঔষধ ও রোধের উপায়

হাত পা ঘামার ঔষধ কি কয়েকভাবে হাত পা ঘামানো কমানো যেতে পারে অ্যালুমিনিয়াম ক্লোরাইডযুক্ত লোশন এটি হাত ও পায়ের তালুতে ব্যবহার করলে হাত পা ঘামা কমে যেতে পারে আবার গোলাপজল ব্যবহার করতে পারেন গোলাপজল অত্যন্ত কার্যকরী বাজারে কিনতে পাওয়া যায়, সেখান থেকে একটা কিনে নিয়ে অথবা আপনি চাইলে বাসায় নিজেও একটি তৈরি করে নিতে পারেন গোলাপের ফুল থেকে কয়েকটি গোলাপের পাপড়ি ছিড়ে নিয়ে গরম পানিতে ১০ থেকে ১৫ মিনিট  সিদ্ধ করে নিন এরপর ওই পানিটা হাতের তালুতে পায়ের তালুতে ব্যবহার করুন

হাত পা ঘামা থেকে মুক্তির উপায় এক ধরনের  বৈদ্যুতিক পদ্ধতিতে সেক হাত এবং পায়ের ব্যবহার করলে কিছুদিনের মধ্যে কমে যেতে পারে এক্ষেত্রে আগে  চিকিৎসকের পরামর্শ অবশ্যই  নিতে হবে  কেননা যতক্ষণ না পর্যন্ত আপনার এ রোগটি প্রমাণিত না হচ্ছে ততক্ষণ ঔষধ ব্যবহার করতে পারবেন না যেহেতু এ রোগের এখন পর্যন্ত বিশেষজ্ঞরা কোনো কারণ বের করতে পারেননি সেহেতু চিকিৎসার সঠিক কারণ না বের করে ঔষধ ব্যবহার করা ঠিক হবে না তাই ঘরোয়া পদ্ধতিত আপনি ব্যবহার করতে পারেন

হাত পা ঘামে কেন মুক্তির রোধের উপায় -রোগের নাম ও চিকিৎসা সমূহ
হাত পা ঘামে কেন মুক্তির রোধের উপায় -রোগের নাম ও চিকিৎসা সমূহ

হাত পা ঘামা থেকে মুক্তির উপায়

হাত পা ঘামা থেকে মুক্তির উপায়  হাত পা ঘামার পূর্ণাঙ্গ এখনো কোন চিকিৎসা নেই কিছু ক্ষেত্রে অ্যালুমিনিয়াম  ক্লোরাইডযুক্ত লোশন বেশ কার্যকরী এছাড়াও আয়োনোফোরেসিস নামক এক ধরনের থেরাপি যা ব্যবহার করলে হাত এবং পায়ের ঘাম দূর করতে পারবেন এবং পাশাপাশি রয়েছে নার্ভের অস্ত্রোপচার এটা তেমন একটা বাজারে প্রচলিত না  তবে হাত পা ঘামানোর ক্ষেত্রে ব্যবহার করতে পারেন এবং আরো রয়েছে ইনজেকশন যা ডাক্তারের পরামর্শে আপনার হাত-পা ঘামানোর ক্ষেত্রে ব্যবহার করতে পারেন

হাত-পা ঘামলে করণীয় কী অবশ্যই আপনাকে সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে যথেষ্ট পরিমাণের পানি পান করতে হবে যত বেশি পানি পান করবেন তত বেশি আপনার শরীর স্বাস্থ্য সাথে মানানসই হয়ে আপনার হাত-পা ঘামানোর রেহাই পাবেন এবং ধূমপান অ্যালকোহল যুক্ত বিরোধ করতে হবে এগুলি শরীরের নানা ইস্তানে  সমস্যা ঘটায় এবং পাশাপাশি স্বাস্থ্যকর ফল শাকসবজি খেতে হবে ঘাম কমানোর জন্য হাত পায়ে বেকিং সোডা ব্যবহার করবেন গরম জলে  সোডা মিশিয়ে ১০ থেকে ১৫ মিনিট পর ঠান্ডা করে ব্যবহার করবেন

শরীরে দুর্গন্ধ দূর করার উপায়

শরীরে দুর্গন্ধ দূর করার উপায় হাত ও পায়ের ঘাম থেকে শরীরের নানান অঙ্গে দুর্গন্ধ ছড়িয়ে যায় তাই শরীরের দুর্গন্ধ দূর করার উপায় কিছু গরুয়া টিপস জেনে নেয়া যাকযাদের এ সমস্যা হয় তারা মোজা ব্যবহার করবেনএবং আপনার

কাজকর্ম শেষ হওয়ার পর প্রতিদিন কার মোজা গরম জল অথবা ঠান্ডা জল দিয়ে সাবান লাগিয়ে দুইয়ে রোদে শুকাতে দিন পাশাপাশি জুতো ধুয়ে দিন তবে মনে রাখবেন জুতো প্রতি সপ্তাহে একবার দোলে চলবে প্রতিদিন এই অভ্যাসটা মেনে চলন এবং শরীরের জামা কাপড় ধুয়ে দিবেন এবং এবং প্রতিদিন গোসল করতে হবে

হাত-পা গামে কেন এ নিয়ে আজকের আলোচনা আমরা শেষ করলাম আশা করা যায় আপনারা এখান থেকে কিছুটা হলেও উপকৃত হয়েছেনআমাদের প্রতিটি মানুষেরই কিছু না কিছু রোগ নিয়ে আমরা দুশ্চিন্তায় থাকি এবং এটা সঠিক

সময় আমরা  চিকিৎসা করাই না যখন যেকোনো ধরনের রোগে দেখা দেয় তখন আমাদের উচিত একজন ভালো চিকিৎসকের সাথে যোগাযোগ করা আর যদি আমরা সঠিক সময়ে এই রোগ নির্ণয় না করতে পারি তাহলে এটা একসময় বড় আকারে ধারণ করে তাই আল্লাহ না করুক আমাদের রোগ থেকে আমাদেরকে আল্লাহ হেফাজত রাখুন ধন্যবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *