একতরফা ভালোবাসা অসাধারণ একটি অপূর্ণ প্রেমের গল্প

জীবনে কতই না আকেফ আমাদের জীবনে কতই না প্রত্যাশা। তাই এ নিয়ে আজকে ছেলেমেয়েদের একতরফা ভালোবাসা অসাধারণ একটি অপূর্ণ প্রেমের গল্প বলতে যাচ্ছি।

কথা দিলাম পুরো গল্পটা পড়ার পর অনেকটা অনুভূতি পাবেন এবং অনেক কিছু শিখতে পারবেন ইনশাল্লাহ ছেলে-মেয়েদের একতরফা ভালোবাসা অসাধারণ একটি অপূর্ণ  প্রেমের গল্প যা আমাদের চারপাশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে।  তাই প্লিজ পুরো গল্পটা একটু মনোযোগ দিয়ে পড়বেন।

একতরফা ভালোবাসা অসাধারণ একটি অপূর্ণ প্রেমের গল্প

একতরফা ভালোবাসা অসাধারণ একটি অপূর্ণ প্রেমের গল্প

পাড়ার  যে ছেলেটি কোনদিনও খারাপ কাজ বা নেশা করে নি। আজকে সে এখন এলাকার নাম কড়া খারাপ ছেলে ও নেশাখোর এবং খারাপ কাজে লিপ্ত। যে ছেলেটি সিগারেটে থাকা  ধোঁয়া সহ্য করতে পারতো না, আজ সে সেই সিগারেট আর মদের বোতল তার চলার পথের সঙ্গী। . সেই ছেলেটি এখন প্রতি রাতেই ছাদের কোণে গিয়ে সিগারেটের নিকোটিনের  আগুনে নিজেকে পুড়তে বসে।  যে ছেলেটি কলেজ, কোচিং, কিংবা বন্ধুদের সাথে আড্ডা দিয়ে সবাইকে আনন্দয় মাতিয়ে রাখতো, আজ সেই ছেলেটি একদম চুপ।

কারো সাথে আজ কোনো কথা বলতে চায় না  সব সময় একা থাকে। . যে ছেলে অন্ধকার কে ও কালো জিনিস অপছন্দ করতো, সেই ছেলেটি আজ সে শপিং এ গেলে সবচেয়ে কালো রঙটাকে পছন্দ  করে আর প্রতিটা সময়ই সে এখনঅন্ধকারের মধ্যে থাকতে চায়। তাছাড়াও আমাদের সমাজের আরো অনেক ঘটনা আছে যা আমাদের চারপাশে ঘটে যাচ্ছে। হয়তো কিছু কিছু ঘটনা  প্রকাশ পায় আবার কিছু কিছু ঘটনা প্রকাশ পায় না। .

একতরফা প্রেমের গল্প

 আমাদের সমাজের ছোট বড় অনেকেই ভাবে হয়তো খারাপ সঙ্গ পেয়েই ভালো টা খারাপ হয়েছে। এভাবেই আমাদের  সাথে ঘটে যাওয়া কর্মকাণ্ড ও কষ্ট গুলোর প্রতিক্রিয়া জানাই। প্রতিক্রিয়া গুলো সাধারনত হয়  এরকমঃ- . ★ ছেলেটা ভদ্র ছিল, কিন্তু এখন প্রতিটা সময় সিগারেট খায়। ★ ছেলেটা একেবারে নষ্ট হয়ে গেছে, প্রতিদিন মারপিট এবং নেশা করে।

এই ছেলেটি ছোট থেকে অনেক সম্মান করতো, কিন্তু এখন সবার সামনে বসে সিগারেট ধরায়। ★ ছেলেটা খারাপ হয়ে যাবে কখনোই ভাবতে পারিনি।…. ইত্যাদি। . আমরা প্রায়ই ভেবে থাকি এই সমস্ত ছেলেগুলো এভাবে নষ্ট হওয়া এবং জিদি হয়ে যাওয়ার পিছনে খারাপ সঙ্গ একমাত্র দায়ী। কিন্তু কোনদিন কি জানতে চেয়েছি কিংবা চেয়েছেন তাদের এই আচরণ এভাবে খারাপ হওয়ার পিছনের কারনটা। কিসের জন্য তারা এই পথে এসেছে…?? . একটি ছেলে শুধুমাত্র খারাপ মানুষের সঙ্গ পেয়ে নেশার জগতে পা বাড়ায় না।এর পিছনে জড়িয়ে থাকে পারিবারিক নানান সমস্যা  হয় প্রিয় মানুষের দেয়া কষ্ট এবং অবহেলা।

আমাদের এই সমাজের প্রায় অর্ধেকেরও বেশি ছেলেরা ড্রাগস এডিক্টেড আসক্ত হয় প্রেম বিচ্ছেদে।এবং  কিছু অল্প ছেলেরা মেয়েরা হয় পারিবারিক সমস্যার কারনে।  তখন এই ছেলেমেয়েরা বেঁচে থাকার জন্য এবং পুরাতন সেই স্মৃতি গুলো মন থেকে মুছে ফেলার জন্য নেশার জগতে পা বাড়ায়। আচ্ছা কতটা কষ্ট পেয়ে একটা ছেলে ও একটা মেয়ে তার দুচোখে পানি ফেলে…!! হ্যাঁ, অবশ্যই আপনাকেই জিজ্ঞাস করছি আপনি যিনি বা যে এই গল্পটাকে পরে আসছেন।

অপূর্ণ ভালোবাসার গল্প

আমার দেখা  মতে, একটা ছেলেকে কোন সময় আপনি সামনে বসে চোখের জল ফেলে কান্না করতে দেখবেন না। কারন সেই ছেলেটি  জানে সবার সামনে বসে কান্না করতে দেখলে  তাকে সবাই হাসি ঠাট্টা পাত্র বানাবে। তাই সে নিরবে সমস্ত কষ্ট বুকের মধ্যে চাপিয়ে রাখে। কারন ওখানে লুকিয়ে রাখা কষ্ট কেউ দেখতে পাবে না, একমাত্র সৃষ্টিকর্তা আর নিজে ছাড়া। রাতভর অন্ধকারে ঘরের কোনো এক কোণে বসে কিংবা বিছানায় শুয়ে  নিঃশব্দে তলবলে জলভরা দু’চোখের জল ফেলে কেঁদে যাবে। চিৎকার করেও সে তখন চোখের জল ফেলে কাঁদতে পারে না, যদি না তার বাসার কেউ তার কান্নার শব্দ শুনে যায়। . বাসার যে ছেলেটি খুব বেশি হাসি খুঁশি থাকতো, দুষ্টুমি করে বা আড্ডা দিয়ে সবাইকে আনন্দে রাঙিয়ে রাখতে পারতো। আজ হয়তো ছেলেটির ভালোবাসার মানুষের কাছ থেকে অবহেলা পেয়ে পেয়ে সে এখন সে এতো বদলে গেছে বা যাচ্ছে।

সে আগের মত কারো সাথে ঘোরাফেরা করে না, সারাক্ষণ মন মরা আর সবসময় একা থাকতে চায়। কারন, সে বুঝতে পারে বন্ধুদের সাথে চলাফেরা ঘোড়া গাড়ি হলে তাকে হাসি-খুঁশি সারাক্ষণ থাকতে হবে। যদিও সবকিছু মানিয়ে চলতে হয় তখন তাকে মিথ্যের আশ্রয় দিয়ে জীবন কাটাতে হয়।যখন কোন একটা ছেলের জীবনে কোনো একটা মেয়ে আসে, তখন তাকে নিয়েই জীবনটাকে সাজিয়ে রঙিন করে চলতে চায়।কিন্তু হঠাৎ করে সেই আনন্দময় রঙ্গিনস্মৃতিগুলিকে  কালো করে দিয়ে অন্য আরেকজনের হাত ধরে চলে যায়, তখন শুধু চুপ  হয়ে তাকিয়ে তাকা ছাড়া আর কোন উপায় খুঁজে পাওয়া যায় না।সে তখন নিরবে ভাবতে থাকে এই কি সেই মেয়ে যে কোনো একসময় আমায় নিয়ে নতুন জীবনের স্বপ্ন দেখতো। আপনি. যদি কোন একটা ছেলেকে  কাছের বা  প্রিয় মানুষ কিংবা ভালোবাসার মানুষ হয়ে তাকে কষ্ট দিতে চান

কিংবা তার চোখের জল দেখতে  চান। তাহলে তাকে কোনো ভরা জনসম্মুখে নিয়ে আসুন তারপর তাকে অপমান করেন বেশি করে গালাগালি করুন। দেখবেন নিরবে কোনো কথা বা প্রতিবাদ না করে আপনার সামনে থেকে মাথা নিচু করে চলে যাবে তারপরও সে কাঁদবে না।কিন্তু তাকে অল্প একটু পরিমান অবহেলা করুন, তার সাথে একটু কথা বার্তা বলা কমিয়ে দিন,খোঁজ-খবর নেয়া ও কিছুদিনের জন্য কথা বলা বন্ধ করে  দিন বা তার সাথে কিছুদিনের জন্য যোগাযোগ করা বন্ধ করে দিন।তাহলে আপনি দেখবেন কিছুদিনের মধ্যে তার চোখের নিচটা কালো রংয়ের হয়ে গেছে আর 

একটি ছেলের ভালোবাসার গল্প

অপূর্ণ ভালোবাসার গল্প

আগের থেকে অনেকটা রোগা হয়ে গেছে।কারন সারারাত সে কেঁদে বিছানায় নির্ঘুমে কাটানো রাত আর ঠিকভাবে  না খাওয়ার ফলে এ অবস্থা হয়েছে।ছেলেরা অনেক কিছু মানিয়ে নিতে পারে , কিন্তু কাছের মানুষদের অবহেলা ছেলেরা সহ্য করতে পারে না।একটা ছেলের সুন্দর সাজানো জীবনকে এলোমেলো করে দিতে তার প্রিয় মানুষের  অল্প অবহেলাই যথেষ্ট।বাড়ির চাঁদের কোণে বসে নীল আকাশকে দেখতে থাকা ছেলেটিও কোনো একসময় রাতের আধারে  এক কোণে বসে তারা গুনে, আর নিজের শরীরটাকে একের পর এক সিগারেটের তসায় পুড়তে থাকে।

ছেলেটার  কোনো একসময় পছন্দ ছিলো নীল এবং লাল। রং কিন্তু এখন তার পছন্দের রং চেঞ্জ হয়ে গিয়েছে। সে এখন আর নীল আর লাল রংয়ের কিছু পড়ে না।কারন এটা ছিল তার অতীতের ভালোবাসার মানুষেরও পছন্দ। তাই আজ সবকিছু বাদ দিয়ে তার শুধুমাত্র পছন্দ রং হল কালো। একটা ছেলে যে কোনদিনও অন্ধকারে থাকতে পারতো না। সবসময় বন্ধু-বান্ধবের  সাথে বাহিরে ঘোরাঘুরি করতো।কিন্তু সময়ের বদলে যাওয়াতে সে এখন অন্ধকারকে তার নিজের আপন করে নেয়।সে এখন প্রতিদিনের বেশিরভাগ সময়টাও বন্ধ ও অন্ধকার রুমেই একা কাটিয়ে দেয়,

তবুও বাহিরে বের হতে চায়না।একটা ছেলে কখনোই চাইবে না খারাপ হতে, কিন্তু আমাদের এই সমাজ, পরিবেশ আর পরিস্থিতি মানুষকে খারাপের দিকে টেনে নিয়ে যায়।আট দশটা খারাপ ছেলেদের সাথে চলতে গিয়ে একটা ভদ্র ছেলেও কোনো একসময় খারাপ হয়ে পরে।আর আট দশটা ভালো ছেলের সাথে একটা খারাপ ছেলে ঘোরাফেরা করলে একসময় নেশা করা ছেড়ে দিয়ে সে ভালো হয়ে যায়।

অবশেষে সেই সকল কাছের বা প্রিয়  মানুষদের একটা কথাই বলবো যে, কখনো কোন ছেলেকে ভালোবাসলে তাকে হৃদয় দিয়ে ভালোবাসবেন।কোনো প্রকার ছলনা কিংবা মিথ্যের আশ্রয় না দিয়ে ভালোবাসুন দেখবেন সেই ছেলেটা আগের থেকে আরো তাড়াতাড়ি ভালো কিছু করার জন্য এগিয়ে যাবে।আর তাকে যদি আপনার ভালবাসতে পসিবল না হয় তাহলে দয়া করে তার সুন্দর সাজানো 

জীবন ও ভবিষ্যত টাকে নষ্ট করে দিবেন না।কারন আপনার কিছু কিছু করে দেয়া অবহেলা আর কষ্ট একটা ছেলের ভবিষ্যৎ ও স্বপ্ন গুলো মাটির সাথে মিশিয়ে দিতে পারে যে কোনো সময়। একটা পরিবারের কোন একটা ছেলে খারাপ হলে বিশেষ করে তার পরিবারের সদস্যরা মা আর বাবা বড্ড অসহায় হয়ে পড়ে।

তখন এই সমাজে ওই পরিবার তাদের মুখ দেখাতে কতটুকু কষ্ট কষ্ট সহ করতে হয় তা হয়তো আপনি কিংবা  আমি জানি না এবং বুজতেও পারি না।কোন একটা সময় পরে যখন তুমি আমি আমরা কোনো সন্তানের পিতা মাতা হব তখন এর উপলব্ধি করতে পারবো ইনশাআল্লাহ। 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *